ক্ষতিপূরণ

আবদুল আলিম সুজন

কর্মস্থল১৪ আগস্ট ২০২৬

৭,০০,০০০টাকা

প্রতিবেদন অনুযায়ী টাকা হস্তান্তর হয়েছে

‘এই টাকা আমার স্বামীকে ফিরিয়ে দেবে না’

সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিলের জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছিলেন আবদুল আলিম সুজন; সেদিনের দুর্ঘটনায় নিহত দশ শ্রমিকের একজন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের প্রাপ্য ১০ লাখ টাকা: দাফনের সময় ১ লাখ, পরে চেকে ৭ লাখ, বাকি ২ লাখ শ্রম অধিদপ্তরের মাধ্যমে। দুই শিশুসন্তানকে আঁকড়ে স্ত্রী সুবর্ণা আক্তার বলেন, কিছুদিনের নিরাপত্তা মিলবে, কিন্তু ভবিষ্যতের হিসাবে এ টাকা কিছুই না।

এভাবে আপনার মৃত্যু হলে আপনার জীবনের দাম ধরা হবে ৭,০০,০০০ টাকা। কম হলো, নাকি বেশি?

নাম
আবদুল আলিম সুজন
বয়স
৩৯ বছর
ধরন
কর্মস্থল
কী করছিলেন
ইয়ার্ডে নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন
ঘটনাস্থল
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, ফেরদৌস স্টিল জাহাজভাঙা ইয়ার্ড
তারিখ
১৪ আগস্ট ২০২৬
আরও নিহত
একই ঘটনায় আরও মানুষ নিহত হন

প্রতিবেদনে যা আছে

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবদুল আলিম সুজনের পরিবারকে ৭,০০,০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে।

ধরন: মালিকপক্ষ। প্রতিবেদন অনুযায়ী টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুজনের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণের অংশ হিসেবে পরিবার একটি ৭ লাখ টাকার চেক পেয়েছে।
আরেকটি ঘটনা জানুনপুরো খাতা দেখুন

সব ঘটনা মিলিয়ে হিসাব দেখুন তথ্য পাতায়।